ইনফিনিক্স মোবাইল: দীর্ঘদিন ব্যবহার করে আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা

ইনফিনিক্স মোবাইল

ইনফিনিক্স মোবাইল ফোনের নাম এখন প্রায় অধিকাংশ মানুষই জানেন। ইংরেজিতে যার নাম Infinix। এই মোবাইল ফোন নিয়ে আমার বেশ কিছু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও শেয়ার করার মতো ঘটনা রয়েছে। আজ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সেই অভিজ্ঞতাগুলোই বলব।

আমি মনে করি, লেখাটি পড়ার পর আপনি অন্তত নিজের প্রয়োজন ও বাজেটের সঙ্গে মিলিয়ে একটি ধারণা নিতে পারবেন—ইনফিনিক্স মোবাইল আপনার জন্য কেনা উচিত কি না।

ইনফিনিক্স মোবাইল নিয়ে আমার অভিজ্ঞতার শুরু

ইনফিনিক্স কোম্পানির বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন আমি নিজে ব্যবহার করেছি। এমন নয় যে, মাত্র একটি ফোন ব্যবহার করেই ইনফিনিক্স নিয়ে অভিজ্ঞতার কথা বলতে এসেছি। শুধু আমি নই, আমার ওয়াইফকেও এই ব্র্যান্ডের ফোন কিনে দিয়েছি। বলতে গেলে, সেও এখন পর্যন্ত ইনফিনিক্সের তৃতীয় ফোন ব্যবহার করছে। অর্থাৎ এর আগে দুটি মডেল তার ব্যবহার করা শেষ হয়েছে।

তো শুরুটা যেভাবে হয়েছিল, সেটাই বলি।

সর্বপ্রথম আমার ওয়াইফের জন্য একটি ইনফিনিক্স মোবাইল কিনেছিলাম। ওর জন্য একটি ফোন কিনতে বাজারে গিয়েছিলাম। বাজার বলতে দক্ষিণখান থেকে উত্তরার দিকে যাচ্ছিলাম। কসাইবাড়ির কাছাকাছি যাওয়ার পর একটি দোকান কেন জানি আমাদের পছন্দ হয়ে গেল। দোকানটি ছোট হলেও বেশ অনেকগুলো মোবাইল ফোন ছিল। সেখানে বেশ কয়েকটি ইনফিনিক্স মোবাইলও ছিল।

আমি দোকানদার ভাইকে বললাম, “ভাই, আপনার পছন্দমতো একটি ফোন দেন। এমন ফোন চাই, যেটাতে চার্জ বেশি টিকবে, ক্যামেরা মোটামুটি ভালো হবে এবং বডি শক্তিশালী হবে।” তিনি আমাকে Infinix Hot 11 Play ফোনটি দেখালেন।

আমরা ভালোভাবে ফোনটি দেখলাম। যদিও মোবাইল ফোন সম্পর্কে আমার মোটামুটি ধারণা ছিল, তবে এই নির্দিষ্ট মডেলটি সম্পর্কে তখন তেমন ধারণা ছিল না।

কিন্তু আমার ওয়াইফ ফোনটি দেখামাত্রই কেন জানি পছন্দ করে ফেলল। পরে ১১ হাজারের কিছু বেশি টাকা দিয়ে “আল্লাহ ভরসা” বলে ফোনটি কিনে ফেললাম।

Infinix Hot 11 Play: তিন বছর পরও চলছে

ফোনটি বাসায় আনার পর আমার ওয়াইফ প্রায় দুই বছর বেশ ভালোভাবেই ব্যবহার করেছে। এর মধ্যে শুধু ফোনের সাউন্ড কিছুটা কমে গিয়েছিল। আর হাত থেকে তো কতবার যে পড়েছে তার কোনো হিসাব নেই!

আমাদের ছোট মেয়েটা কতবার যে ফোনটি হাত থেকে, টেবিল থেকে কিংবা চৌকি থেকে ফেলে দিয়েছে, তার কোনো শেষ নেই। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, ফোনটির তেমন কিছুই হয়নি।

ক্যামেরা মোটামুটি ভালো ছিল, চার্জও বেশ ভালোই থাকত। এমনকি এখনো ফোনটি ভালোভাবেই চলে। আজ ২০২৬ সাল। আমরা ফোনটি কিনেছিলাম ২০২৩ সালে। অর্থাৎ প্রায় তিন বছর পরও আলহামদুলিল্লাহ ফোনটি বেশ ভালোভাবেই সার্ভিস দিচ্ছে। বর্তমানে সেই ফোনটি আমার ছোট শ্যালিকা ব্যবহার করছে। এখন অবশ্য মাঝে-মধ্যে কিছু সমস্যা হয়, তবে বড় কোনো সমস্যা নয়।

আমার ওয়াইফের দ্বিতীয় ইনফিনিক্স ফোন

যেহেতু আমার ওয়াইফের ইনফিনিক্স মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতা নিয়ে বলছি, তাই ওর গল্পটাই আগে শেষ করি। যখন আগের ফোনটি আমার ছোট শ্যালিকাকে দিয়ে দিই, তখন আমার টুনটুনির জন্য Infinix Hot 50 কিনে দিই।

এই ফোনটিও বেশ ভালো ছিল। প্রায় সবদিক থেকেই আমি সন্তুষ্ট ছিলাম। চার্জ অনেক বেশি টিকত, ফোনটি যথেষ্ট টেকসই ছিল এবং ছবি তুললে অটোমেটিকভাবেই সুন্দর দেখাত। ভিডিও 2K পর্যন্ত করা যেত।

একদিন ওর সঙ্গে আমার বেশ ঝগড়া হয়। সেদিন রাগের মাথায় ও হাতে থাকা ফোনটি দিয়ে অনেক জোরে দেয়ালে ছুড়ে মারে। আমি তো মনে মনে ভাবলাম, “সব শেষ!” কিন্তু ফোনটি হাতে নিয়ে দেখি—কিছুই হয়নি!

সেদিন থেকেই সত্যি বলতে, ইনফিনিক্স মোবাইল নিয়ে আমি নতুন করে ভাবতে শুরু করি। মনে হয়েছে, হাতের নাগালের দামের মধ্যে ইনফিনিক্স বেশ ভালো মানের ফোন দেওয়ার চেষ্টা করছে।

Sumi’s Life এবং নতুন ফোন কেনার সিদ্ধান্ত

আমি সংক্ষেপে বলছি। বিস্তারিত বলতে গেলে আরও অনেক ঘটনা আছে, আর পোস্টটিও অনেক বড় হয়ে যাবে।

এরপর আমার ওয়াইফের ইচ্ছা হলো মানুষের সেবা করবে এবং এ ধরনের ভিডিও তৈরি করবে। আমি ওর জন্য একটি ফেসবুক পেজ খুলে দিলাম এবং একটি ইউটিউব চ্যানেলও খুলে দিলাম। নাম দিলাম Sumi’s Life

এরপর ইনফিনিক্স মোবাইল আপগ্রেড করার চিন্তা মাথায় এলো। আগের ফোনটি বিক্রি করার জন্য Bikroy.com-এ বিজ্ঞাপন দেওয়ার মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যেই মেসেজ আসতে শুরু করল। তিন-চারজন ফোনটি নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করলেন। কেউ কেউ আবার অগ্রিম টাকা পাঠাতেও চাইলেন।

পরে একজনের সঙ্গে কথা ফাইনাল করি এবং মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই ফোনটি বিক্রি করে দিই। তবে একটা কথা স্বীকার করতেই হবে—আমি হয়তো ফোনটির দাম একটু কম চেয়েছিলাম। চাহিদা বেশি হওয়ার পেছনে এটিও একটি কারণ হতে পারে।

বর্তমানে আমার ওয়াইফের ফোন: Infinix Hot 60 Pro+

এখন টুনটুনিকে—অর্থাৎ আমার ওয়াইফকে—ভিডিও করার জন্য কিনে দিয়েছি Infinix Hot 60 Pro+ 8/256GB

ফোনটি বেশ ভালো। 2K পর্যন্ত ভিডিও রেকর্ডিং করা যায়। সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয়গুলোর একটি হলো, ফোনটি খুবই পাতলা। হাতে ধরলে অনেক সময় মনেই হয় না যে হাতে একটি ফোন রয়েছে।

ফোনটির বিস্তারিত স্পেসিফিকেশন এখানে বলতে গেলে পোস্ট আরও অনেক বড় হয়ে যাবে। আপনারা চাইলে আলাদাভাবে স্পেসিফিকেশন দেখে নিতে পারেন।

তবে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলব, এই ফোনের ভিডিও কোয়ালিটি বেশ ভালো। ক্যামেরার ছবিও আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। আমার টুনটুনিও ফোনটি অনেক পছন্দ করেছে।

অবশ্য আমি কিনে দিয়েছি—পছন্দ না করে কি আর উপায় আছে! 😄বর্তমানে টুনটুনির কাছে এই ফোনটিই আছে। সে বেশ খুশি মনে কাজ করে যাচ্ছে। মহান আল্লাহ তায়ালা তৌফিক দিলে ভবিষ্যতে হয়তো আরও ভালো ফোনে আপগ্রেড করার চিন্তা আছে। তবে এখন পর্যন্ত ইনফিনিক্সের প্রতি আমার কোনো বড় অভিযোগ নেই।

অল্প টাকায় ইনফিনিক্স কী দিচ্ছে?

আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায়, অল্প টাকার মধ্যে ইনফিনিক্স যে ধরনের ফিচার ও স্পেসিফিকেশন দেওয়ার চেষ্টা করে, তা অনেক কোম্পানি সবসময় দিতে পারে না।

আরেকটি বিষয় আমার কাছে ভালো লাগে—ইনফিনিক্স ফোনে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ বা অতিরিক্ত বিজ্ঞাপনের ঝামেলা তুলনামূলকভাবে কম মনে হয়েছে। আমার কাছে এটি বেশ স্বস্তিদায়ক বিষয়।

অন্যদিকে, কিছু ব্র্যান্ডের ফোনে অতিরিক্ত অ্যাপ ও বিজ্ঞাপন আমাকে ব্যক্তিগতভাবে বেশ বিরক্ত করে। বিশেষ করে ফোন ব্যবহার করার সময় বারবার বিজ্ঞাপন বা অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ সামনে আসা আমার একদম ভালো লাগে না।

তবে এটাও সত্যি, কিছু ব্র্যান্ডের ফোন দীর্ঘমেয়াদে ভালো সার্ভিস দেয়। তাই শুধু একটি বিষয় দেখে কোনো ব্র্যান্ডকে ভালো বা খারাপ বলা ঠিক হবে না।

আমার শ্যালিকার ফোনটিও এখনো চলছে

একটা কথা বলতে ভুলে গিয়েছিলাম। মাঝখানে আমাদের অন্য ফোনগুলো আপগ্রেড হলেও আমার শ্যালিকাকে দেওয়া আগের ফোনটি আর আপগ্রেড করা হয়নি। তার কাছে সেই আগের ফোনটিই এখনো আছে।

যখন এই পোস্টটি লিখছি, তখনও সে সেই ফোনটিই ব্যবহার করছে এবং ফোনটি তার প্রয়োজন অনুযায়ী ভালোভাবেই সার্ভিস দিচ্ছে। আসলে সবার প্রয়োজন এক নয়। একজনের কাছে যে ফোন পুরোনো মনে হতে পারে, অন্য একজনের প্রয়োজন মেটাতে সেটিই যথেষ্ট হতে পারে। আমার শ্যালিকার যতটুকু দরকার, সেই ফোন থেকেই সে তা পাচ্ছে। তাই তার ফোন আপগ্রেড করার তেমন কোনো চিন্তা নেই।

এবার আমার ইনফিনিক্স মোবাইল ব্যবহারের গল্প

এবার আসি আমার নিজের কথায়। আমি প্রথমে নিয়েছিলাম Infinix Note 40S 8/256GB। সত্যি বলতে, ফোনটির প্রেমেই পড়ে গিয়েছিলাম। এই মোবাইলের প্রায় সবকিছু নিয়েই আমি সন্তুষ্ট ছিলাম।

মাঝেমধ্যে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ছবি ও ভিডিও করতাম। আমি আবার আমার প্রায় সব ছবি ও ভিডিও Google Drive-এ রেখে দিই। ২০১৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত নিয়মিতভাবে সংরক্ষণ করার চেষ্টা করি।

আমার অনেক পরিচিত মানুষ আজ এই পৃথিবীতে নেই। কিন্তু তাদের অনেকের ছবি ও ভিডিও এখনো আমার মোবাইলের গ্যালারিতে রয়েছে। তাই আমার কাছে একটি মোবাইল ফোন শুধু যোগাযোগের যন্ত্র নয়; এটি অনেক স্মৃতি ধরে রাখার মাধ্যমও।

মাত্র ৬ মাস পর ফোনটি বিক্রি করে দিলাম

Infinix Note 40S আমি মাত্র ছয় মাস ব্যবহার করেছিলাম। এরপর ফোনটি আমার এক কলিগের কাছে বিক্রি করে দিই। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস—আমার কাছ থেকে ফোনটি নেওয়ার মাত্র সাত দিনের মধ্যেই আমার সেই কলিগ ফোনটি হারিয়ে ফেলেন।

মোবাইলের সব ধরনের তথ্য দিয়ে জিডি করা হয়েছিল। কিন্তু আজ পর্যন্ত ফোনটি আর উদ্ধার হয়নি। ঘটনাটি অবশ্য আমার ফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতার চেয়ে আমার কলিগের দুর্ভাগ্যের গল্পই বেশি।

Infinix GT 30: আমার সবচেয়ে পছন্দের ফোন

এরপর আমি কিনে নিই Infinix GT 30 8/256GB। এটি মূলত একটি গেমিং ফোন। ফোনটির চার্জ অনেক বেশি টিকত। AMOLED ডিসপ্লে ছিল খুবই ভালো মানের। ব্যাটারি ব্যাকআপও দারুণ পেতাম।

মোটের ওপর, আমার কাছে এটি ইনফিনিক্সের অন্যতম সেরা ফোন মনে হয়েছিল। দাম ছিল ৩০ হাজারের কিছু বেশি। ফোনটি নিয়ে আমি সত্যিই অনেক খুশি ছিলাম। মনে হয়েছিল, কোনোদিন এই ফোনটি বিক্রিই করব না।

কিন্তু মানুষের জীবন ও পরিস্থিতি কখন কোন দিকে যায়, তা আগে থেকে বলা মুশকিল। আমি ফোনটি মাত্র আট মাস ব্যবহার করেছি। এরপর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সংকটের কারণে ফোনটি আমাকে বিক্রি করে দিতে হয়। সত্যি বলতে, এই ফোনটি বিক্রি করতে আমার নিজেরই খুব কষ্ট হয়েছিল।

এরপর কিনলাম Infinix Hot 60i

এরপর কসাইবাড়ি রেলগেটের কাছাকাছি, মেইন রাস্তার উত্তর পাশে পুরোনো ফোন বিক্রি করে—এমন একটি দোকান থেকে Infinix Hot 60i 8/256GB কিনে নিই।

দাম দিয়েছিলাম মাত্র ১১ হাজার টাকা। তখন নতুন ফোনটির বাজারমূল্য ছিল ১৮ হাজারের কিছু বেশি। যেহেতু এর আগে আমি এর চেয়ে অনেক ভালো ও দামি একটি ফোন ব্যবহার করছিলাম, তাই নতুন ফোনটি ব্যবহারের প্রথম কয়েকদিন একটু খারাপই লেগেছিল।

কিন্তু ধীরে ধীরে মানিয়ে নিয়েছি। এখন আর তেমন কোনো সমস্যা মনে হয় না। বরং এই ফোনটিরও প্রশংসা করতে হয়।

এত কম টাকায় 8/256GB কনফিগারেশনের ফোন কয়টি কোম্পানি দিতে পারে? তবে এই ফোনে আমি সবচেয়ে বেশি খুশি ব্যাটারি ব্যাকআপ নিয়ে। একবার চার্জ দিলে অনায়াসে দুই দিন পার করা সম্ভব হচ্ছে—অবশ্য ব্যবহার কতটা করছেন, তার ওপর ব্যাটারি ব্যাকআপ নির্ভর করবেই।

মহান আল্লাহ তায়ালা তৌফিক দিলে আমিও হয়তো কোনোদিন আবার ফোন আপগ্রেড করব। সেই অপেক্ষাতেই আছি। তবে একটা কথা বলে রাখি—আইফোন নেওয়ার ইচ্ছা আমার নেই। আমি মূলত অ্যান্ড্রয়েডেই থাকব।

তাহলে কি ইনফিনিক্স মোবাইল কেনা উচিত?

পরিশেষে বলতে চাই, আমি বলছি না যে অন্য কোম্পানির ফোনগুলো খারাপ। প্রতিটি কোম্পানি তাদের ফোনে একেকটি বিষয়ের ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়। যেমন, একসময় Oppo ক্যামেরার দিকে বেশ ভালোভাবে ফোকাস করত। এখন হয়তো তাদের কৌশলে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে।

তবে আমার নিজের রিয়েল-লাইফ এক্সপেরিয়েন্স থেকে যদি বলি, ইনফিনিক্স আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। আমি শুধু একটি ফোন ব্যবহার করে এই কথা বলছি না। নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের মিলিয়ে ইনফিনিক্সের একাধিক ফোন ব্যবহার করেছি। কয়েকটি ফোন বিক্রি করেছি, একটি ফোন হারিয়েও গেছে, আবার কিছু ফোন এখনো পরিবারের সদস্যরা ব্যবহার করছেন।

এই দীর্ঘ ব্যবহারের অভিজ্ঞতা থেকে আমার মনে হয়েছে, ইনফিনিক্স সবদিক থেকে ভালো করার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে বাজেটের মধ্যে ভালো স্পেসিফিকেশন, ভালো ব্যাটারি ব্যাকআপ এবং ব্যবহারযোগ্য ক্যামেরা দেওয়ার চেষ্টা আমার কাছে প্রশংসনীয় মনে হয়েছে।

অবশ্যই কোনো ব্র্যান্ডই নিখুঁত নয়। আপনার প্রয়োজন, বাজেট, সফটওয়্যার অভিজ্ঞতা, ক্যামেরা, গেমিং কিংবা ব্যাটারি—কোন বিষয়টি আপনার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ, সেটি বিবেচনা করেই ফোন কেনা উচিত।

তবে আপনার বাজেটের মধ্যে ইনফিনিক্সের কোনো একটি ফোন যদি আপনার প্রয়োজনের সঙ্গে মিলে যায়, তাহলে একবার বিবেচনা করে দেখতে পারেন।

তারপর নিজের অভিজ্ঞতার সঙ্গে আমার কথাগুলো মিলিয়ে দেখবেন। শেষ কথা হলো—এটি কোনো কোম্পানির বিজ্ঞাপন নয়। সম্পূর্ণ আমার নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের ব্যবহার করা ফোন নিয়ে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করলাম।

আপনার অভিজ্ঞতা যদি ভিন্ন হয়, সেটিও জানাতে পারেন। কারণ একটি ফোন নিয়ে একজনের অভিজ্ঞতা আরেকজনের অভিজ্ঞতার মতো নাও হতে পারে। সবার জন্য শুভকামনা। আল্লাহ সবাইকে ভালো রাখুন।

আরও পড়ুন: সাধারণ মানুষের ইন্টারনেট ব্যবহার সম্পর্কে কতটুকু জানা প্রয়োজন?

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top